• মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি, আমি সাংবাদিক না ভৈরবে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত যথাযোগ্য মর্যাদায় কটিয়াদীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন ইতিহাসের নির্মমতার সাক্ষী অযত্নে অবহেলায় ময়লায় চাপা কটিয়াদীর বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ বর্তমান সরকার ন্যায় ও ইনসাফ কায়েমে ওয়াদাবদ্ধ -মো: শরীফুল আলম এমপি পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী বেলাবোতে আরিয়াল খাঁ নদীতে গঙ্গা স্নান করতে পুণ্যার্থীর ঢল ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন অব ভৈরবের উদ্যোগে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় কটিয়াদীতে নজরুল একাডেমির ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা কটিয়াদীতে অগ্নিকান্ডে ৫ দোকান পুড়ে ছাই ভৈরবে মাজারের ওরসে প্রভাব বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে অর্ধশত আহত॥ বাড়ি-ঘর ভাংচুর॥ আটক-৬

পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি, আমি সাংবাদিক না

Reporter Name / ১৫ Time View
Update Time : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম :

‌‘জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে? সাদাডা কত, লালডা কত? যদি জনগণকে বলতেন, তাহলে অনেক খুশি হইতাম’—দোকানিকে এমন প্রশ্ন করে রাতারাতি ভাইরাল বনে গেছেন কুড়িগ্রামের কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাইজুল ইসলাম (৩০)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এখন ‘তাজু ভাই ২.০’ নামেই পরিচিত। হুহু করে বাড়ছে তার ফলোয়ার।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের উত্তর ঢাকডহর সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তাইজুল ইসলাম। অভাব-অনটনের কারণে কোনোদিন স্কুলের বারান্দায় পা রাখা হয়নি তার। তবে অজপাড়াগাঁয়ে বাস করা এই যুবকের একটি ভিডিও সম্প্রতি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।

‘তাজু ভাই ২.০’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে মহান স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ) উপলক্ষে স্থানীয় নারায়ণপুর বাজারে জিলাপি বিক্রির একটি ভিডিও করেন তিনি। ভিডিওতে তিনি দোকানির কাছে জানতে চান, জিলাপি ‘সরকারি রেটে’ বিক্রি হচ্ছে কি-না। তার এই সহজ-সরল উপস্থাপনার ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তাজু ভাই স্থানীয় একটি দোকানে গিয়ে জিলাপি বিক্রি নিয়ে গ্রাম্য ভাষায় কথা বলছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক এখানে দোকানপাট, অনেক জিলাপি ভাজতেছে। তার কাছে আমি প্রশ্ন করবো—জিলাপি কত করে বিক্রি করছেন? সাদাডা কত, লালডা কত?’ এরপরই তিনি দোকানিকে প্রশ্ন করেন, ‘জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে? যদি জনগণকে বলতেন তাহলে অনেক খুশি হইতাম।’

এ ভিডিওর পর তাইজুল ইসলামের ফলোয়ার বাড়ছে হুহু করে। বর্তমানে তার ফলোয়ার প্রায় ৯০ হাজার। ভাইরাল হওয়ার আগে যা ছিল মাত্র ছয় হাজার।

জিলাপি বিক্রির ওই ভিডিওটি এরইমধ্যে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ দেখেছেন। ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদল তার সরলতার প্রশংসা করলেও অন্যদল তাকে নিয়ে ট্রোল বা ব্যঙ্গ করছেন।

ব্যক্তিজীবনে তাইজুল ইসলাম নাগেশ্বরী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত নারায়ণপুর ইউনিয়নের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রির সহকারী (হেলপার)। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কাজের ফাঁকে শখের বশে এমন মজার ভিডিও তৈরি করেন তিনি।

এ বিষয়ে তাইজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই আমি ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না। আপনারা সাংবাদিকরা নারায়ণপুরে আসেন না, আমাদের এলাকার খবর করেন না—তাই আমি নিজেই ভিডিও করি। আমি বোকাসোকা মানুষ, ভুল হতেই পারে। আমাকে ট্রোল করলেও আমার কষ্ট নেই। আমি শুধু চাই চরের মানুষের উন্নয়ন।

নারায়ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ওই ছেলের বাড়ি আমার পরিষদের সামনেই। তবে সে যে ভিডিও করে ভাইরাল হয়েছে, তা আজই প্রথম শুনলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/