নিজস্ব প্রতিবেদক
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে তীব্র শীতে অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের কষ্ট লাঘবে চার শতাধিক পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বেথইর, পিপুলিয়া ও লাংটিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার দুস্থ মানুষের হাতে এই উপহার তুলে দেওয়া হয়।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ও রইছ মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মাহমুদুল ইসলাম ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই কম্বল বিতরণের আয়োজন করেন। শীতের তীব্রতা বাড়ায় অসহায় মানুষের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
কম্বল বিতরণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন আলহাজ্ব জি এম কামরুল ইসলাম, আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম, হাফেজ গোলাম কিবরিয়া, শফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আয়োজকরা কেবল এক জায়গায় সীমাবদ্ধ না থেকে অনেক শীতার্ত মানুষের ঘরে ঘরে গিয়েও সরাসরি কম্বল পৌঁছে দেন।
উদ্যোক্তা আলহাজ্ব মাহমুদুল ইসলাম জানান, “শীত, বন্যা বা যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। প্রতিবছরের মতো এবারও আমরা শীতার্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা কমানোর চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”
এ বিষয়ে তাঁর ছোট ভাই জি এম কামরুল ইসলাম বলেন, “শীতকাল দরিদ্র মানুষের জন্য অনেক কষ্টের। সমাজের সামর্থ্যবানরা এগিয়ে এলে তাদের এই কষ্ট লাঘব সম্ভব। আমরা পরিকল্পিতভাবে গ্রামের অধিক শীতপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে মানুষের দ্বারে দ্বারে কম্বল পৌঁছে দিচ্ছি। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর আনন্দই আলাদা।”
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার অন্যান্য শীতপ্রবণ গ্রামগুলোতেও আরও শীতবস্ত্র বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব সামাজিক মানবিক কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সমাজের বিত্তবানরা এভাবে এগিয়ে এলে পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবন কিছুটা হলেও স্বস্তিদায়ক হবে।
https://slotbet.online/