• শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
বোরকা পরে ক্রেতা সেজে বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ​হাওরবাসীর ভাগ্যবদল ও টেকসই উন্নয়নে পৃথক মন্ত্রণালয়ের দাবি রক্তে কেনা বর্ণমালা, আজ মোদের গর্বের মালা। অমর একুশে ফেব্রুয়ারি—ভাষা শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।” (অরুণিমা পরিবার) একুশে বইমেলায় আসছে সাংবাদিক মোস্তফা খানের উপন্যাস ‘একটি কলমের দাম’ বিএনপি ক্ষমতায় আসায় ১৭ বছর পর জুতা পরলেন সুরুজ পাঠান সুষ্ঠু নির্বাচন  উপহার দেওয়ায় বেলাবো প্রেসক্লাবের পক্ষ হতে প্রশাসনকে অভিনন্দন  প্রথম দিনের অফিস, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, *জনাব মো: শরীফুল আলম।* নিরন্তর শুভ কামনা আপনার জন্য।(অরুণিমা পরিবার) চাঁদপুরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু কক্সবাজারের সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ শিল্প,বাণিজ্য, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন জননেতা মোঃ শরীফুল আলম।

​হাওরবাসীর ভাগ্যবদল ও টেকসই উন্নয়নে পৃথক মন্ত্রণালয়ের দাবি

Reporter Name / ৩০ Time View
Update Time : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি :
দেশের খাদ্যভাণ্ডার ও মৎস্য সম্পদের প্রধান উৎস হাওর অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, বৈষম্য দূরীকরণ এবং স্থায়ী দুর্যোগ মোকাবিলায় পৃথক ‘হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠনের জোরালো দাবি উঠেছে।​সম্প্রতি অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু এক বিশেষ বার্তায় হাওরবাসীর পক্ষে এই প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তাঁর এই দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ হাওরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন ও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

​প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়, দেশের জাতীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তায় হাওর অঞ্চলের অবদান অপরিসীম। দিগন্তজোড়া বোরো ধান এবং সমৃদ্ধ মৎস্য সম্পদ জাতীয় চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ করে। অথচ প্রতিবছর আগাম বন্যা, ফসল রক্ষা বাঁধের অব্যবস্থাপনা এবং অপরিকল্পিত অবকাঠামোর কারণে হাওরবাসী চরম সংকটের মুখোমুখি হন। পাহাড়ি অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় থাকলেও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কৃষির হাওর অঞ্চলের জন্য কোনো স্বতন্ত্র প্রশাসনিক কাঠামো নেই। ফলে এই জনপদের উন্নয়ন কার্যক্রম বিচ্ছিন্নভাবে চলায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে।

​সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, হাওরবাসী বিশ্বাস করে জননেতা তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারই পারে এই অবহেলিত জনপদের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটাতে। রাষ্ট্র সংস্কার ও সুষম উন্নয়নের যে রূপরেখা জনাব তারেক রহমান দিয়েছেন, তার প্রতিফলন হিসেবে হাওরবাসী একটি স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় প্রত্যাশা করে। দেশনায়ক তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে হাওরের কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র শিল্প, আধুনিক যোগাযোগ, বিশেষায়িত মেডিকেল কলেজ ও ফসল রক্ষা বাঁধের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে বলে হাওরবাসীর পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন রয়েছে।​অন্যদিকে বীর মক্তিযুদ্ধা এড. ফজলুর রহমান হাওর অঞ্চলের মাটি ও মানুষের নেতা হিসেবে দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ ও অবদানের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তিনি সবসময়ই হাওরের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন। তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিলে হাওরের সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা এবং সমন্বিত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।অষ্টগ্রামসহ বৃহত্তর হাওরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ মনে করছেন, একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠিত হলে কৃষি ও মৎস্য সম্পদের আধুনিকায়নসহ এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। সরকার দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ জনপদকে গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই এখন হাওরবাসীর প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/