মোস্তাফিজ আমিন, ভৈরব॥
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমান খান (১৯) হত্যা মামলায় পুরুষশূন্য প্রতিপক্ষের অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
২৩ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া গ্রামে পাগলা বাড়ির ইছা মিয়ার ছেলে ইমন খানকে কুপিয়ে হত্যা করে গ্রামের শেখ বাড়ির লোকজন।

এ ঘটনায় ২৬ মার্চ ৭৯ জনের নাম উল্লেখসহ ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা ইছা মিয়া।
এদিকে হত্যার ঘটনায় মামলা হওয়ার পর থেকে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে শেখ বাড়ির পুরুষরা। সেই সুযোগ শেখ বাড়ির প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে পাগলা বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। 
লুন্দিয়া গ্রামের বড়পাড়া, চরপাড়া ও শেখ বাড়ির গোলাপ মেম্বারের বাড়িঘরসহ কমপক্ষে ৫০টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে পাগলা বাড়ির লোকজন।
ভাঙচুর ও লুটপাটের খবর পেয়ে ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম মামুনুর রশীদ ও ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দসহ থানা পুলিশ সদস্যরা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ৭/৮ বছর যাবত আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া পাগলা বাড়ির সাথে শেখ বাড়ির দ্বন্দ্ব চলছে। ইতোমধ্যে ৪/৫ বার ঝগড়াও হয়েছে। পাগলা বাড়ির নেতৃত্ব দেন আব্দুল মজিদ বড় মিয়া ও শহিদ মিয়া। আর শেখ বাড়ির নেতৃত্ব দেন মাইন উদ্দিন শেখ ও আক্কাছ শেখ।
https://slotbet.online/