মোস্তাফিজ আমিন, ভৈরব॥
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অসম্মান, অপদস্ত, অশালীন শব্দ প্রয়োগ, আটক ও হয়রানি বন্ধের মাধ্যমে সুষ্ঠু কর্মক্ষেত্র নিশ্চিতকরণের দাবিতে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভসদের সংগঠন ফার্মাসিউটিক্যাল্স রিপ্রেজেন্টেটিভ এসোসিয়েশন “ফারিয়া”।
আজ সোমবার (১১ মে) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরব বাসস্ট্যান্ড দুর্জয়মোড়ে ওইসব কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। ওইসব কর্মসূচিতে সংগঠনের কয়েকশ কর্মী অংশ নেন।
পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা কমপ্লেক্সে গিয়ে ঘটনার সুরাহা চেয়ে নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের প্রতিনিধিদল।
মানববন্ধনের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, আমরা দেশের ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিগণ স্বাস্থ্য খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় চিকিৎসকদের কাছে ঔষধের কার্যকারিতা, ডোজ, ব্যবহারবিধি ও হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবাকে কার্যকর ও সহজলভ্য করতে সহায়তা করি। বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষাধিক প্রতিনিধি এই পেশায় নিয়োজিত।
কিন্তু অত্যন্ত দু:খ ও পরিতাপের বিষয় হলো-সাম্প্রতিক সময়ে ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের অযৌক্তিকভাবে “দালাল” আখ্যা দিয়ে অপমান অপদস্ত ও হয়রানি করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ মে সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালিত অভিযানে বহু প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাদের “দালাল” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যা আমাদের পেশাগত মর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুন্ন করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এই সময় বক্তারা আরও বলেন, এমন অপমান ও হয়রানি বন্ধ করে পেশাগত সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা না হলে আগামীতে আমরা আরও বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। আর এতে করে যদি দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ স্বাস্থ্যখাত অনাকাংখিত পরিস্থিতিতে পড়ে, এর দায় সরকারসহ সংশ্লিষ্টদেরই বহন করতে হবে।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ভৈরব মডেল ফারিয়ার আহ্বায়ক এইচএম লোকমান হুদা, যুগ্ম-আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান, উপদেষ্টা মো. শাহাজালাল বেপারী, মফিজ উদ্দিন, ম্যানেজার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
https://slotbet.online/