• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
ভৈরবে মাদকাসক্ত বাবার বিরুদ্ধে ৭ মাসের সন্তানকে ডোবায় ফেলে হত্যার অভিযোগ বেলাবোতে সরকারি রাস্তা কেটে আনারস চাষ, মোবাইল কোর্টে ১০ দিনের কারাদণ্ড আঙ্গুর চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন সৌদিতে কটিয়াদীর যুবক নিহত কুলিয়ারচরে ২ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার দেওয়ানের চর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বেলাবোতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান নিরাপদ সড়ক চাই ভৈরব শাখার বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন

ভৈরবে মাদকাসক্ত বাবার বিরুদ্ধে ৭ মাসের সন্তানকে ডোবায় ফেলে হত্যার অভিযোগ

Reporter Name / ১৫ Time View
Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

 

মোস্তাফিজ আমিন, ভৈরব॥
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাদকাসক্ত বাবা মেরাজ মিয়া (২৪) এর বিরুদ্ধে তানভির ওরফে মোজাহিদ নামের তার ৭ মাসের ছেলে সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকায়।

ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে বাবা মেরাজ মিয়াসহ শিশুটির দাদি রাবেয়া বেগম (৬০)। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার এসআই রফিকুল ইসলাম। অভিযুক্ত বাবা মেরাজ মিয়া ওই এলাকার মৃত ফেলু মিয়ার ছেলে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে এলাকার একটি ডোবার কচুরিপানার ভেতর থেকে শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে করেছে পুলিশ।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকার মৃত ফেলু মিয়ার ছেলে মেরাজ মিয়ার সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের পুরানগাঁও এলাকার আক্তার হোসেনের মেয়ে তাসলিমা বেগমের। তাদের পরিবারের ৭ মাস আগে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। মেরাজ মিয়া কখনো অটো চালাতেন আবার কখনো জুতার কাজ করতেন। মেরাজ মিয়া মাদকাসক্ত ছিল। প্রায় সময় মেরাজ তাঁর স্ত্রী, মা ও ভাইদের সাথে নেশার টাকার জন্য ঝগড়া করতো। ১০ দিন আগে স্ত্রী, সন্তানসহ বাড়ি থেকে বের করে দেয় মেরাজের মা ও ভাইয়েরা।

এরপর থেকে শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে থাকতে শুরু করেন তারা। সেখানে গিয়েও স্ত্রী তাসলিমার সাথে কলহ লেগে থাকে মেরাজের। ১ সপ্তাহ আগে দাদি রাবেয়া নাতিকে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে শিশুটির নানা বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে। বাড়িতে এনে নাতিকে আটকে রাখে। তিনদিন পর শিশুটির মাকে জানায় শিশুটিকে তাঁর বাবা বিক্রি করে দিয়েছে।

পরে থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করলে পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে বের করে দিতে দাদি রাবেয়া বেগম ও বাবা মেরাজকে চাপ দেয়। ২২ এপ্রিল রাতে বাবা মেরাজ মিয়া শ্বশুর বাড়ির স্বজনদের জানায় শিশুটিকে গোলাপ মিয়ার ডোবায় ফেলে এসেছেন। সেখানে গেলে শিশুটিকে পাওয়া যাবে। ২৩ এপ্রিল সকালে নানার বাড়ির লোকজন স্থানীয়দের নিয়ে গিয়ে শিশুটির অর্ধগলিত লাশ দেখতে পায়।

শিশুটির মা অভিযোগ করে বলেন, ২২ এপ্রিল আমার স্বামী আমাকে ফোন দিয়ে বলে তোর ছেলেকে কোনও দিন ফিরে পাবি না। আমার ছেলেকে তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমি আমার স্বামী ও শাশুড়িসহ জড়িত সবার বিচার চাই, ফাঁসি চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

https://slotbet.online/