নিজস্ব প্রতিবেদক
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম আলমগীর হোসেন (৩০)।
ঘটনাটি শনিবার সৌদি সময় সকাল ৬টায় রিয়াদ শহরে ঘটে। নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে পরিবার।
নিহত আলমগীর হোসেন কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বাট্টা গ্রামের কৃষক মো. রমজান আলীর বড় ছেলে।
জানা যায়, সৌদি আরবে পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন আলমগীর হোসেন। প্রতিদিনের মতো সড়ক পরিচ্ছন্নতার কাজ করছিলেন তিনি। হঠাৎ করে পেছন দিক থেকে একটি বেপরোয়া প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। বিষয়টি সৌদিতে কর্মরত একই এলাকার সহকর্মীরা মুঠোফোনে তার বাড়িতে জানান। তার মৃত্যুর সংবাদে বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে।
পরিবারের লোকজন জানান, আলমগীর হোসেন দুই বছর পূর্বে বিয়ে করেন। সংসারের স্বচ্ছলতার জন্য তিনি ১৩–১৪ মাস আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। দুই বছর পূর্ণ হলে ছুটি পেতেন। ছুটি পেলেই বাড়ি আসতেন। কিন্তু দুই বছর পূর্ণ না হলেও তিনি এখন বাড়ি আসবেন—তবে লাশ হয়ে। স্বচ্ছলতার স্বপ্নকে মাটিচাপা দিয়ে এক বুক বিষাদের ছায়া সঙ্গী করে চিরবিদায় নিয়েছেন।
নিহতের স্ত্রী জেসমিন আক্তার এবং দরিদ্র কৃষক বাবা রমজান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শোনার পর থেকে আমরা শোকে কাতর। একটাই চাওয়া—সন্তানের লাশ যেন সরকার দ্রুত দেশে নিয়ে আসে। এছাড়াও আমাদের দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ায়।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে আবেদন করতে হবে, যদি সরকারের অর্থে লাশ আনতে হয়। এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নিহতের পরিবারকে সর্বোচ্চ সহায়তা ও সমর্থন দেওয়া হবে ।
https://slotbet.online/