• সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
কুলিয়ারচরে নাইট রোস্টার পদ্ধতিতে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফার্মেসি কটিয়াদীতে একই রাতে মা ছেলের মৃত্যু কুলিয়ারচরে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” কর্মসূচি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ডাঃ মমতাজ বেগম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে ‘সামার ২০২৬ ভর্তি মেলা’-এর উদ্বোধন নিসচা ভৈরব শাখার সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের এসপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভৈরবে মাদকাসক্ত বাবার বিরুদ্ধে ৭ মাসের সন্তানকে ডোবায় ফেলে হত্যার অভিযোগ বেলাবোতে সরকারি রাস্তা কেটে আনারস চাষ, মোবাইল কোর্টে ১০ দিনের কারাদণ্ড আঙ্গুর চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা রমিজ উদ্দিন সৌদিতে কটিয়াদীর যুবক নিহত

কটিয়াদীতে একই রাতে মা ছেলের মৃত্যু

Reporter Name / ২৪ Time View
Update Time : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
মা-সন্তানের সম্পর্ক পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও অনন্য। মা বেঁচে থাকতেই সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ সবচেয়ে বেদনাবিধুর ঘটনা। এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে। ছেলের মৃত্যুর সংবাদ শুনে শোক সইতে না পেরে মায়েরও মৃত্যু হয়েছে।
কটিয়াদী উপজেলার সহশ্রম ধুলদিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলতাফ উদ্দিন শাহীন (৫৫) মারা যান।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে গাজীপুরের তায়রুননেসা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শাহীন সহশ্রম ধুলদিয়া রায়খলা গ্রামের মৃত মনির উদ্দিনের বড় ছেলে।
এদিকে তার মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছানোর চার ঘণ্টা পর তার মা জুবাইদা মনি (৮০) মারা যান। মা-ছেলের এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবারের সদস্যদের ধারণা, সন্তানের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে।
শাহীনের ভাই মোস্তফা কামাল বলেন, “আমার মা খুবই অসুস্থ ছিলেন। গতরাতে বিষয়টি আমার বড় ভাই শাহীনকে জানানোর পর থেকেই তিনি চিন্তিত ছিলেন। পরে রাত ২টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে তিনি মারা যান। এই সংবাদটি মাকে জানানো হলে তিনিও মারা যান। ঘটনার পর থেকে আমাদের পরিবার শোকে প্রায় বাকরুদ্ধ।”
শাহীনের চাচাতো ভাই মাওলানা আল মামুন বলেন, “রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে শাহীন বাড়িতে থাকতেন না। তিনি গাজীপুরে বসবাস করতেন। তবে সুযোগ পেলেই মাকে দেখতে বাড়িতে আসতেন। তার প্রতি মায়ের গভীর টান ছিল। সেই টান থেকেই ছেলের মৃত্যুর শোক তিনি সহ্য করতে পারেননি। মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যুতে পুরো এলাকা শোকে মুহ্যমান হয়ে আছে। ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

https://slotbet.online/