• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
দেওয়ানের চর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে বার্ষিক মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত বেলাবোতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান নিরাপদ সড়ক চাই ভৈরব শাখার বর্ণিল আয়োজনে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন মুক্তিযোদ্ধা মেজর আখতারের ‘আগামী বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপি ক্ষমতায় আসায় ১৭ বছরের প্রতিজ্ঞা ভেঙে অবশেষে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ভাত খেলেন ইনু মিয়া কটিয়াদীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন পলিথিনে মোড়ানো নবজাতক উদ্ধার, একদিন পর মৃত্যু বেলাবোতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা, কটিয়াদীতে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন

ভৈরব জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা-সিলেট, ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

Reporter Name / ৪১৮ Time View
Update Time : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫

 

মোস্তাফিজ আমিন, ভৈরব॥
২০০৯ সালে ঘোষিত প্রস্তাবিত ভৈরব জেলা অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা-সিলেট ও ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করেছে স্বর্বস্তরের ছাত্র-জনতা।

আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলমান এই কর্মসূচীতে কয়েক হাজার ছাত্র-যুবক ও জনতা অংশ নেন। দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে এই সময় বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরাও বক্তব্য রাখেন।

অবরোধের ফলে মহাসড়ক দুটির উভয়পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানবাহন আটকা পড়ে। এতে যাত্রী সাধারণ দুর্ভোগের শিকার হন। বিলম্বিত হয় তাদের যাত্রা। তবে জরুরি চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত গাড়ি, রোগীবাহি এ্যাম্বুলেন্স, বিদেশগামী ও ফেরত যাত্রীদের বহনের গাড়িগুলিকে অবরোধমুক্ত রাখা হয়।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন-২০০৯ সালের জুলাই মাসে ভৈরববাসীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ভৈরবে এক জনসভায় ভৈরবকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন।

পরে ওই বছরের অক্টোবর মাসে কিশোরগঞ্জকে ভেঙ্গে কটিয়াদী, বাজিতপুর, অষ্টগ্রাম, কুলিয়ারচর উপজেলার সমন্বয়ে “ভৈরবকে” দেশের ৬৫তম জেলা হিসেবে ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।

সে সময় “অখন্ড কিশোরগঞ্জ” দাবি তুলে আন্দোলনে নামে কিশোরগঞ্জ সদরের লোকজন। পর্দার আড়াল থেকে তৎকালীন স্পীকার আব্দুল হামিদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বিরোধীতা করেন। ফলে প্রজ্ঞাপন জারি এবং জেলার সম্ভাব্য জরিপে সব দিক থেকে প্রজেটিভ ফলাফলের পরও বাস্তবায়ন হয়নি সরকারে গ্রহণ করা সিদ্ধান্ত।

সেই ন্যায্য দাবি আদায়ে তারা আজ আবারও মাঠে নেমেছেন। এই যুক্তিক দাবিকে তারা তাদের অধিকার আখ্যা দিয়ে বলেন, দাবি না মানলে তারা সড়ক, রেল ও নৌপথ বন্ধ করে দেশকে অচল করে দিবেন বলে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন-রাজধানী ঢাকা থেকে দেশের পূর্বাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করাসহ ভৈরবের উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, গ্যাস সরবরাহ লাইনও বিচ্ছিন্ন করা হবে।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি সাইফুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ভিপি মুজিবুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাওলানা শাহরিয়ার, গোলাম মহিউদ্দিন, মুহাম্মদ জুনায়েদ, গণ অধিকার পরিষদের সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আল মামুন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন সুজন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আল মাহমুদ আফজাল, সাধারণ সম্পাদক ইমন প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/