মোস্তাফিজ আমিন, ভৈরব॥
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মানিক মিয়া (৫০) নামে এক কাতার প্রবাসীর উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে পৌর শহরের দড়ি চন্ডিবের এলাকার বিল থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পকেট থেকে একটি মোবাইল ও কাতারের থাকার পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। সেই পরিচয়পত্র থেকে পাওয়া তথ্যমতে নিহতের বাড়ি উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের বড় রাজাকাটা গ্রামে। তার পিতার নাম মো. কাদির মিয়া।
পুলিশ জানায়, আজ সোমবার সকালে দড়ি চন্ডিবের এলাকার শামসু মিয়ার বাড়ির পিছনে একটি বিলে মরদেহটি দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে নিহতের শ্যালক আয়তুল খাঁ মুঠোফোনে বলেন, আমাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামে। ১০ বছর পূর্বে আমার বোন স্বর্ণার সাথে পারিবারিকভাবে মানিক মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ১ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছে। ৪ দিন আগে আমার বোন অষ্টগ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। আমি কাজের সুবাধে সিলেটে রয়েছি। পুলিশের মাধ্যমে জানতে পেরেছি বোনজামাইর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমি পরিবারকে জানিয়েছি তারাও থানায় যাচ্ছে। আমিও সিলেট থেকে ভৈরব রওনা করেছি।
ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানী বলেন, মানিক মিয়ার পকেট থেকে পাওয়া মোবাইল ও কার্ডের তথ্য থেকে পাওয়া যায় তিনি একজন কাতার প্রবাসী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মানিক মিয়াকে ২/৩ দিন আগে হত্যা করে এখানে ফেলে রেখে যায়। লাশ ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
https://slotbet.online/