• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যাওয়া শিশুকে নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করলেন পিতা! কুলিয়ারচরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে বাবলী শবনম এর যোগদান ভৈরবে নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে ব্যবসায়ী নেতাদের মতবিনিময় সভা কটিয়াদীতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান প্রসব, দত্তক নিতে ভিড় কুলিয়ারচরে নাইট রোস্টার পদ্ধতিতে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে ফার্মেসি কটিয়াদীতে একই রাতে মা ছেলের মৃত্যু কুলিয়ারচরে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” কর্মসূচি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ডাঃ মমতাজ বেগম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে ‘সামার ২০২৬ ভর্তি মেলা’-এর উদ্বোধন নিসচা ভৈরব শাখার সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের এসপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যাওয়া শিশুকে নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করলেন পিতা!

Reporter Name / ২৯ Time View
Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় পড়ে যায় এক বছর বয়সি এক শিশু। সন্তানকে বাঁচাতে বাবাও চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়েন নিচে। তাদের ওপর দিয়ে একে একে ট্রেনের আটটি বগি চলে গেলেও অবিশ্বাস্যভাবে অক্ষত অবস্থায় বেঁচে যান পিতা-পুত্র। ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’ প্রবাদের এই চিরন্তন সত্যের যেন বাস্তব প্রমাণ মিলল ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের এই ঘটনায়।
আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা অভিমুখী তিতাস কমিউটার ট্রেনে এই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটে। বেঁচে যাওয়া ওই পরিবারটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ভৈরবে এসেছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্র জানায়, তিতাস কমিউটার ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে ভৈরব স্টেশনে পৌঁছায়। যাত্রাবিরতির সময় ওই দম্পতি সন্তানসহ ট্রেন থেকে নামতে পারেননি। ট্রেনটি ছেড়ে দেয়ার পরপরই তাড়াহুড়ো করে চলন্ত ট্রেন থেকে এক বছরের সন্তানকে কোলে নিয়ে নামার চেষ্টা করেন বাবা। এ সময় হাত ফসকে শিশুটি প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের ফাঁক দিয়ে নিচে পড়ে যায়।

সন্তানকে বাঁচাতে সঙ্গে সঙ্গে বাবাও লাফ দিয়ে নিচে পড়েন এবং ছেলেকে বুকে জড়িয়ে প্ল্যাটফর্মের দেয়ালের সাথে সেঁটে শুয়ে থাকেন। তাদের ওপর দিয়ে আটটি বগি চলে গেলেও দুজনেই অক্ষত থাকেন। এ সময় স্থানীয়রা শিশুটির মাকে ট্রেন থেকে নিরাপদে নামিয়ে আনেন।

তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারম্যান ফালু মিয়া বলেন, ‘অসতর্ক অবস্থায় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে শিশুটি নিচে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তার বাবাও লাফ দেন এবং ছেলেকে বুকে আগলে লাইন ও প্ল্যাটফর্মের ওয়ালের সাথে সেঁটে থাকেন। তাদের ওপর দিয়ে আটটি বগি চলে গেলেও তারা অক্ষত ছিলেন।
ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইয়িদ আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পিতা-পুত্রের ওপর দিয়ে আটটি বগি পার হলেও তারা অক্ষত থাকাটা আল্লাহর অসীম দয়া ছাড়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। চলন্ত ট্রেনে ওঠানামা করার সময় যাত্রীদের অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

https://slotbet.online/